Shares

‪#‎বিশ্ববিদ্যালয়‬ জীবনটা হলো নিজেকে গড়ে নেয়ার জন্য। এই সময়ে মানুষ একইসাথে অনেক রকমের বিষয়ের সাথে পরিচিত হয়। একজন শিক্ষার্থীর প্রধান কাজ থাকে ভালো বিষয়গুলো গ্রহণ করা এবং খারাপটা বাদ দেয়া। যে যত ভালোভাবে এই কাজটা করতে পারে সে তত ভালোভাবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারে। সত্যিকারের মানুষ হতে পারে।

‪#‎পড়াশোনা‬ একটা অদ্ভুত বিষয়। চাইলেই কেন পড়াশোনা হয় না, এটা নিয়ে হাজারটা কারণ দেখানো যায়। কিন্তু কোনটাই আসলে যথার্থ নয়। সমস্যার কারণে হয়তবা সকল একাডেমিক পড়া সঠিকভাবে পড়া সম্ভব নাও হতে পারে। কিন্তু জানার জন্য নিজ আগ্রহ থেকেই নানান বিষয়ে পড়াশোনা করা সম্ভব। বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন শিক্ষার্থী যদি দিনে ৪-৫ ঘণ্টা পড়াশোনায় ব্যায় করে তাহলে তার আগামী সুন্দর হতে বাধ্য। কিন্তু কেন জানি এই কাজটা করতে খুব কষ্ট হয় সবার।

‪#‎ঘরে‬ চুপচাপ বসে থেকে কিংবা শুধু আড্ডা দিয়ে ক্রিয়েটিভ হওয়া যায় না। ক্রিয়েটিভ হওয়ার জন্য পরিশ্রম করতে হয়। নানান ধরণের কো-কারিকুলার একটিভিটিতে জড়িত থাকতে হয়। যদি সুযোগ না থাকে সুযোগ সৃষ্টি করতে হয়। কিছু নাই বলে সারাদিন হা-হুতাশ করে কাটিয়ে দিনশেষে কিছুই অর্জন করা যায় না।

‪#‎শিক্ষকতা এমন একটা পেশা যেখানে নিয়মিত একাডেমিক পড়া পড়ে যেতে হয়। এর সাথে সাথে চিন্তা করতে হয় নতুন কিছু করার, যা আছে তাকে উন্নত করার। মোটকথা গবেষণা করার। কিন্তু কেন জানি এই কাজেও আমরা অনেক অলস। শিক্ষক-শিক্ষার্থী মিলে গবেষণার এবং এটা-ওটা নিয়ে চিন্তা করার বা কাজ করার একটা ক্ষেত্র সৃষ্টি হওয়া আবশ্যক।

‪#‎শেষ‬ কথা হলো, শিক্ষক-শিক্ষার্থী একে অন্যের পরিপূরক। উভয়েই মিলেই নিজেদেরকে দক্ষ করবে, এগিয়ে নিয়ে যাবে বিশ্ববিদ্যালয়কে। তাই উভয়েই মিলেই কাজ করা খুব প্রয়োজন। এখন আমার AI (Artificial Intelligence) এবং Big Data নিয়ে পড়তে ভালো লাগে। আশা করি এইগুলো নিয়েই সামনে কাজ করব। কারও যদি এই দুইটার কোনটা নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে থাকে তাহলে আমার সাথে মিলে কাজ করতে পারে। গল্প করতে করতেই করে ফেলা যায় অনেক কিছু। 🙂

Shares
বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক একাডেমিক চিন্তা-ভাবনা

Comments

comments


Post navigation


Pin It on Pinterest