Shares
আজকের দিনটি ছিলো একটি অসাধারণ দিন! নোবিপ্রবির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আইটি ইভেন্ট হয়ে গেছে আজকে। সব মিলিয়ে প্রায় ১৫০০ মানুষের অংশগ্রহণে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান।
 
অনুষ্ঠানটিতে ছিলো অনেক কিছু জানার এবং শেখার। বিশেষ করে আয়োজন করতে গিয়ে নানান সময়ে হুট-হাট করে সামনে আসা সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান করতে হয়েছে। এটা অনেক কিছুই শিখিয়েছে।
 
#ভলান্টিয়াররা অসাধারণ কাজ করেছে। ওরা এত পরিশ্রম করেছে যে তা কেউ না দেখে থাকলে বলে বোঝানো মুশকিল। ওদের এই আন্তরিক পরিশ্রম ছাড়া অনুষ্ঠানটি কোনভাবেই ঠিকমত সম্পন্ন করা যেত না। কয়েকজনের নাম বলতেই হবে। Raihan ছেলেটা শুরু থেকেই কাজ করে যাচ্ছে। যে কাজে ডাকা হয়েছে তাতেই তাকে পাওয়া গেছে। ওর কাছে অনেক কৃতজ্ঞতা। একই সাথে Minhaz, Sazzad, Suvro অনেক পরিশ্রম করেছে। মিনহাজ ওয়াজ কুল টুডে। 🙂 রায়হান এবং মিনহাজ সব কাজেই ছিলো অসাধারণ। 🙂
 
এছাড়া ৬ষ্ঠ ব্যাচের আরো অনেকেই কাজ করেছে। তাদের কাছেও অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা আমার। যাওয়ার আগে তোমরা বড় একটা ইভেন্টের অংশ হয়ে গেলে। 🙂
 
#রবিউল এর কথাও আলাদা ভাবে বলতে হয়। প্রোগ্রামিং কনটেস্টের পুরো দিকটাই ও সুন্দর করে সামাল দিয়েছে। আর ওর সাথে সবসময় পাশে পাশে ছিলো মাথামোটা রাকিব, Sumon Kanti Dey এবং Mazed Rupok। যদিও মাজেদ কম কাজ করেছে বাকি দুইজন থেকে। এর বাইরেও আছে তুষার এবং আরো অনেকেই। যদিও রবিউল কয়েকটা পেন ড্রাইভ হারাইছে। কিন্তু সব মিলিয়ে তারা অসাধারণ কাজ করেছে। সকল ল্যাপটপ এবং মডেমই সহি সালামতে আছে। 😀
 
# Masudul Haq Omar, আসাদুজ্জামান অভি, Saad Corleone, Asim Biswas এবং ৮ম ব্যাচের আরো অনেকেই ছিলো একদম শুরুর দিন থেকে। ২৩ তারিখে ওদের পরীক্ষা। এর মাঝেও বলতে গেলে ২দিন ওরা নস্ট করেছে প্রোগ্রামের পিছনে। Masudul Haq Omar গতকালকে মাইজদী গিয়েই আবার ফিরে আসতে হয়েছে চাবি এর জন্য। সা’দ প্রথম দিনই ডিপার্টমেন্ট সাজানোর সব জিনিস কিনে এনেছে। ৮ম ব্যাচ ছাড়া ইভেন্টের অনেক কিছু অদূরা থেকে যেত। ধন্যবাদ এই ব্যাচের সবাইকে। 🙂
 
#সবার নাম আলাদা আলাদা বলে বলা সম্ভব নয়। প্রায় ৯০ জন ভলান্টিয়ার কাজ করেছে আমাদের সাথে। সবাই যথেষ্ট পরিশ্রম করেছে। সবার কাছে কৃতজ্ঞতা। Shakil Mohammed Sojol ঘুরে ঘুরে সুন্দর ছবি তুলেছে। তাকে ধন্যবাদ যে আগের দিন কল পেয়েই পরের দিন সে এসে আমাদের ছবি তুলেছে। 🙂
 
#ইভেন্ট সফল করার জণ্য আমাদের দরকার ছিলো অনেকগুলো ল্যাপটপ এবং মডেম। এই কাজটি সহজ করে দিয়েছে আমাদের শিক্ষার্থী এবং ভলান্টিয়াররা। নিজের ভালো ভালো এবং সুন্দর ল্যাপটপগুলো তারা ডিপার্টেমন্টের স্বার্থে আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে। অনেক বড় মনের ব্যাপার। তাদেরকে আমি ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। তবে তোমরা ডিপার্টেমেন্টেকে গৌরবান্বিত করেছ অনেক। 🙂
বিশেষ করে আমি সিএসটিই ১০ম ব্যাচের কথা বলতে চাই। ওদের থেকেই সবচেয়ে বেশি ল্যাপটপ পেয়েছি আমরা। ছোট বলেই বোধহয় কম চিন্তা করে সহজে ল্যাপটপ দিয়েছে। একই সাথে এই ব্যাচের কয়েকজন মেয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত কাজ করে এরপর মাইজদী ফিরেছে।
অন্যান্য সব ব্যাচ থেকেই আমরা ল্যাপটপ, মডেম পেয়েছি। তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।
১১তম ব্যাচের কারো সাথে আমার তেমন একটা পরিচয় নেই। তাই তাদের কথা আলাদা ভাবে লিখতে পারছি না। তবে যেখানেই দরকার হয়েছে তারা কাজ করেছে। ভবিষ্যতে আরো নানান কাজে তারা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিবে। 🙂
 
#সাজানো যে কোন অনুষ্ঠানের অন্যতম বিষয়। রাত পর্যন্ত থেকে যারা এই কাজটি সুন্দর করে করেছে তাদের কাছেও কৃতজ্ঞ। যথেষ্ট সুন্দর হয়েছে সাজানো। যদিও বাজেট কম ছিলো এবং তোমাদের চাওয়া সব দিতে পারিনি। তারপরেও তোমরা যা করেছ অসাধারণ। আমার খারাপ লাগছে যে দেয়াল ঘড়ির ব্যবস্থা হয়নি। এরপর আর এটা হবে না। সাজানোর দায়িত্বটা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে ৮ম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। Shakia Sultana, Sharmin Akter Milu, তাজদিকা, Meher Afrose আরো অনেকেই কাজ করেছে। সাথে ৯ম এবং ১০ম এবং ১১তম ব্যাচও বলতে গেরে ২দিন ধরে কাজ করেছে।
 
#সার্টিফিকেট লিখা, আজকে পরীক্ষার হলে দায়িত্ব পালন করা, উত্তরপত্র মূল্যায়ণ, হলে হলে খাবার এবং অন্যান্য সব দায়িত্ব সুন্দর করে পালন করেছে ভলান্টিয়াররা। তোমরাই ছিলে এই অনুষ্ঠানের প্রাণ। তোমাদের অভিনন্দন। 🙂
 
#আমাদের মাননীয় ভিসি ( MD Wahiduzzaman) স্যারকে ধন্যবাদ আমাদেরকে আন্তরিক সহযোগিতা করা জন্য। একই সাথে এমপি মহোদয়কেও ধন্যবাদ আমাদের অনুষ্ঠানে আলো ছড়ানোর জন্য।
 
#অনেক দূর থেকে অনেক শিক্ষার্থী আমাদের এই ইভেন্টে অংশ নিয়েছে। সবল শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক এবং শিক্ষকদের ধন্যবাদ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে আলোকিত করার জন্য। 🙂
 
#বিডি ওএসএন কে ধন্যবাদ আমাদের ইভেন্টের সহযোগি হিসেবে কাজ করার জন্য। তাদের জন্য অনেক কিছুই সহজ হয়ে গিয়েছে। Thanks to Zahir Uddin Tuhin and His team. 🙂
 
#ডিপার্টমেন্টের শিক্ষকদের কাজ ছিলো উল্লেখযোগ্য। Hasnat Riaz, Koushik Chandra, Nahida Akter শুরু থেকেই অনেক কাজে অংশ নিয়েছেন। অডিটোরিয়াম নিয়ে কৌশিক, এবং খাবার, শৃঙ্খলা নিয়ে হাসনাত খুব ভালোভাবে কার্যরত ছিলো। এর সাথে অন্য যে কোন কাজেই তারা সাপোর্ট দিয়ে গেছে। নাহিদা আপু এবং Azad Cste ভাই ছিলো আজকে প্রাণবন্ত। তাদের সহায়তা ছাড়া উত্তরপত্র মূল্যায়নে সমস্যা হয়ে যেত। Kamal Uddin স্যারের কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সব কিছুতেই তিনি বিশেষ পরামর্শ দিয়ে গেছেন। ফলে অনেক সমস্যা থেকেই আমরা বেঁচে গেছি। Abhijit স্যারও আমাদের সহায়তা করে গেছেন। আমাদের দূর্ভাগ্য যে অসুস্থ থাকার কারণে তাকে আমরা পুরো পাই নি। আর আমাদের চেয়ারম্যান স্যারের কাজ শুরু থেকেই অসাধারণ। আমাদের সবাইকে এক সুতায় গেথে তিনি পুরো ইভেন্ট পরিচালনা করেছেন। সুন্দর করে শেষ করেছেন সকল কার্যক্রম। গভীর রাত পর্যন্ত স্যার কাজ করে গেছেন এবং সবকিছু সুন্দর করে দেখভালো করেছেন।
 
সবার সহযোগীতাতেই আমরা দিনশেষে সফল ইভেন্টের আনন্দ নিয়ে বাসায় ফিরে আসতে পেরেছি। সকল শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মিলিত প্রচেষ্টায় আজকের এই সফল ইভেন্ট। সবাই মিলেই আমরা সিএসটিই পরিবার। 🙂
 
হাবিজাবি অনেক কিছুই লিখা হয়ে গেছে। কঠিন একটা ঘুম আসতেছে আমার। এর সাথে আছে মাইগ্রেনের মাথা ব্যাথা। তাই ঘুমাতে চললাম। তবে যাওয়ার আগে আর একটা ধন্যবাদ দিতে চাই। তা হলো যারা গতকাল রাত প্রায় ৫টা পর্যন্ত ল্যাবে থেকে সব পিসি এবং সার্টিফিকেট নিয়ে কাজ করেছে তাদের। তোমাদের এই নির্ঘুম রাতই আজকের দিনে সব সফলতার অন্যতম কারণ। সকল আয়োজনের সফলতার সবচেয়ে বেশি কৃতিত্ব তোমাদের। তোমাদের ধন্যবাদ।
সামনে আরো অনেক ইভেন্ট আসবে। আমরা সবাই একসাথে কাজ করবো তখনও এই প্রত্যাশায় শুভ রাত্রি।
 
বি.দ্র; আমি আন্তরিকভাবে দু;খিত যদি কারো নাম উল্লেখ করতে না পারি। সবার নাম হয়ত দিতে পারিনি। কিন্তু সবার কাছেই কৃতজ্ঞ আমরা। 🙂
Shares
National High School Programming Contest 2016 – NSTU

Comments

comments


Post navigation


Pin It on Pinterest